Menu

আজব জন্ম-শেখ সাদির গল্প

0 Comments

জ্ঞানী মনীষীরা তাদের গ্রন্থে লিখেছেন যে, অন্যান্য কীট- পতঙ্গের মত বিছার ভূমিষ্ট হবার নির্দিষ্ট সময় নেই। ওগুলো নিজেদের মায়ের উদরের গোশত খেয়ে যখন পেট ফেটে যায়, তখন মা মারা যায় এবং বাচ্চারা বেরিয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বিছার গর্তে যে খোলস দেখতে পাওয়া যায়, এগুলো সেই মৃত মায়ের দেহাবশেষ।

এই তত্ত্ব একজন বুজুর্গ লোকের সামনে বর্ণনা করছিলাম। তিনি বললেনঃ এ কথার সত্যতা সম্পর্কে আমার বিবেকও সায় দেয়। এ রকম হওয়াটাই স্বাভাবিক। কেননা, বিছার শৈশবে তাদের মায়ের সাথে নির্দয় ব্যবহার করে বলেই বড় হয়ে মানুষের এত প্রিয় হয়ে থাকে।

“পিতা বলেছিল তার পুত্রকে একদা,

মোর এই উপদেশ মনে রেখ সদা।

যে করে স্বজন সাথে শত্র ব্যবহার

হবে না কারো বন্ধু জগত মাঝার।”

বিছাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তুমি শীতকালে বাইরে বেরোওনা কেন?

সে উত্তরে বলেছিলঃ গ্রীষ্মকালে বেরিয়ে লোকের কাছে যে সম্মান পাই, তার ওপর আবার শীতকালেও বেরোব?

শিক্ষাঃ যেমন কর্ম তেমন ফল। মা-এর সাথে যেরকম ব্যবহার করা হয়, সমাজে ছড়িয়ে পড়লে সেই রকম ব্যবহার পাওয়া যায় আল্লাহ পাকের সৃষ্টির রহস্যের মধ্যে বিছার সৃষ্টি রহস্য আজব ও বৈচিত্র্যময়।

 

Tags: , , , , , ,
Skip to toolbar