ইমামের জন্য খাস মাসায়েল-মাওলানা মুহাম্মদ হেমায়েত উদ্দিন

মুক্তাদীর মাসলা মাসায়েল জানতে এখানে ক্লিক করুন।

১। উত্তম লেবাছ পরিধান করে নামায পড়ানো এবং পড়া উত্তম।
২। ইমাম ইমামতের নিয়ত করবেন। নতুবা ইমামতের ছওয়াব অর্জিত হবে না।
৩। ইমামের জন্য সম্পূর্ণ মেহরাবের মধ্যে দাঁড়ানো মাকরূহ তানযীহী।
৪। ইমাম প্রত্যেক উঠা-বসা ইত্যাদির তাকবির “ সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদা” ও সালাম জোরে বলবেন। প্রয়োজনের চেয়ে খুব বেশি জোরে বলা মাকরূহ।
৫, জেহরী নামাযে (অথ্যাত, মাগরিব, ইশা ও ফজর ইত্যাদিতে) প্রথম দুই রাকয়াত সূরা/ কিরাত জোরে পড়বেন।
৬। মুসল্লীদের মধ্যে অসুস্থ্য বা হাজতমান্দ লোক থাকলে হালকা কিরাত পড়বেন। তবে সুন্নাত পরিমাণ ছেড়ে নয়।
৭। রুকুর থেকে উঠার পর রব্বানা লাকাল হামদ বলবেন না।
৮। ইমামের জন্য রুকু সাজদায় তাসবীহ তিন/পাঁচবার এমনভাবে পড়া উত্তম, যেন মুক্তাদীগণ সাধারণভাবে তিনবার পড়তে পারে। তবে মুক্তাদিগণ কষ্ট বোধ করার আশংকা না থাকলে অধিকও পড়তে পারেন।
৯। ইমাম দুই সাজদার মাঝখানে বৈঠকে দুয়া পড়বেন না, তবে শুধু “আল্লাহুম্মাগ ফিরলী” –এতটুকু পড়তে পারেন।
১০। ডান দিকে সালাম ফিরানোর সময় ডান দিকের মুক্তাদি এবং বাম দিকে সালাম ফিরানোর সময় বাম দিকের মুক্তাদীদেরও নিয়ত করবেন।
১১। ফজর এবং আসর নামাযের সালামান্তে মুসল্লীদের দিকে ফিরে বসবেন। ডান দিক দিয়ে ফেরা এবং ডান দিকের মুসল্লীদের দিকে মুখ করে বসা উত্তম। তবে বাম দিক দিয়ে ফেরা কিংবা পিছনের দিকে ফিরে সোজা পূর্বমুখী হয়ে বসাও জায়েয।
১২। ফরয নামাযের পর অন্যত্র সরে সুন্নাত পড়া উত্তম।

আল্লাহ আমাদেরকে আমল করার তৌফিক দান করুন।
সূত্রঃ আহকামে যিন্দেগী । পৃষ্ঠা নং- ২৯৫

মুক্তাদীর মাসলা মাসায়েল জানতে এখানে ক্লিক করুন।

You may also like...

Skip to toolbar