ঈমানের অংশ ও ঈমানদার হওয়ার লাভ ।। বুখারী হাদিস (২১-২৩)

বুখারী শরীফের আরো ফজিলত পূর্ণ হাদিস পড়তে এখানে ক্লিক করুন

হাদিস ২১

ইসমা’ঈল (রঃ) ……… আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতে এবং জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবেন। পরে আল্লাহ্ তা’আলা (ফিরিশতাদের) বলবেন, যার অন্তরে একটি সরিষা পরিমানও ঈমান রয়েছে, তাকে দোযখ থেকে বের করে নিয়ে আস। তারপর তাদের দোযখ থেকে বের করা হবে এমন অবস্থায় যে, তারা (পুড়ে) কালো হয়ে গেছে। এরপর তাদের বৃষ্টিতে বা হায়াতের [বর্ণনাকারী মালিক (রঃ) শব্দ দু’টির কোনটি এ সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করেছেন] নদীতে ফেলা হবে। ফলে তারা সতেজ হয়ে উঠবে, যেমন নদীর পাশে ঘাসের বীজ গজিয়ে উঠে। তুমি কি দেখতে পাওনা সেগুলো কেমন হলুদ রঙের হয় ও ঘন হয়ে গজায়? উহাইব (র) বলেন, ‘আমর (রঃ) আমাদের কাছে —- এর স্থলে —- এবং —— এর স্থলে —— বর্ণনা করেছেন।

হাদিস ২২

মুহাম্মদ ইব্ন উবায়দুল্লাহ (রঃ) ……….. আবূ উমামা ইব্ন সাহল ইব্ন হুনাইফ (রঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একবার আমি ঘুমন্ত অবস্থায় (স্বপ্নে) দেখলাম যে, লোকদেরকে আমার সামনে হাযির করা হচ্ছে। আর তাদের পরণে রয়েছে জামা। কারো জামা বুক পর্যন্ত আর কারো জামা এর নীচ পর্যন্ত। আর উমর ইব্নুল খাত্তাব (রাঃ)-কে আমার সামনে হাযির করা হল এমন অবস্থায় যে, তিনি তাঁর জাম (এত লম্বা যে) টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। সাহাবায়ে কিরাম বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি এর কী তা’বীর করেছেন? তিনি বললেনঃ (এ জামা মানে) দীন।

হাদিস ২৩

আবদুল্লাহ্ ইব্ন ইউসুফ (রঃ) ……… আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, একদিন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এক আনসারীর পাশ দেয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি তাঁর ভাইকে তখন (অধিক) লজ্জা ত্যাগের জন্য নসীহত করছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাকে বললেনঃ ওকে ছেড়ে দাও। কারন লজ্জা ঈমানের অংগ।

বুখারী শরীফের আরো ফজিলত পূর্ণ হাদিস পড়তে এখানে ক্লিক করুন

You may also like...

Skip to toolbar