দরূদ শরীফের ফজিলত

১। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এরশাদ করেন, “জিব্রাঈল (আঃ) আমার নিকট তাশরীফ এনে বললেন, হে মুহাম্মদ (সাঃ) আপনি কি এ সুসংবাদে সন্তুষ্ট নন যে, আপনার উম্মতের যে কোন ব্যক্তি আপনার উপর একবার দরূদ শরীফ পাঠ করলে আমি তার উপর দশটি রহমত বর্ষণ করি, আর কেউ একবার সালাম পাঠ করলে আমি তার উপর দশ বার সালাম বর্ষণ করি”।

—– দালায়েলুল খায়রাত

২। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এরশাদ করেন, “আমার সবচেয়ে অধিক নিকটবর্তী সে ব্যক্তি, যে আমার উপর বেশী দরূদ শরীফ পাঠ করে”। —– দালায়েলুল খায়রাত

৩। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এরশাদ করেন, “ মানুষের কৃপণতার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, তার নিকট আমার আলোচনা করা হল আর সে আমার উপর দরূদ পাঠ করল না।” —দালায়েলুল খায়রাত

৪। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এরশাদ করেন, “জুমার দিন বেশী বেশী করে আমার উপর দরূদ পাঠ করতে থাক।”—দালায়েলুল খায়রাত

৫। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এরশাদ করেন, “উম্মতের কেউ যদি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করে, তার জন্য দশটি নেকী লেখা হয় এবং দশটি বদী মিটিয়ে দেয়া হয়।”—দালায়েলুল খায়রাত

 

You may also like...

Skip to toolbar