দু’একটি শব্দ উচ্চারণেই অর্জিত হবে হাজারো সওয়াব

ভালো কিছু খাওয়া বা পান করার সময়, কোনো কিছু লেখা বা পড়ার সময়, কোনো কাজ শুরু করার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলে শুরু করা সুন্নত। [বুখারি : ৫৩৭৬]
ভালো কিছু খাওয়া বা পান করা শেষে, কোনো শুভ সংবাদ শোনা হলে, কেউ ‘কেমন আছো’ জিজ্ঞেস করলে তার জবাবে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা সুন্নত। [ইবনে মাজাহ : ৩৮০৫]
কারো হাঁচি আসলে ‘আলহামদুলিল্লাহি আলা কুল্লি হাল’ বলা সুন্নত। [তিরমিজি : ২৭৪১]
কোনো হাঁচি দাতা ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলতে শুনলে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলা সুন্নত। [বুখারি : ৬২২৪]
আল্লাহ তায়ালার শ্রেষ্ঠত্ব, মহত্ব বা বড়ত্বের কোনো কৃতিত্ব দেখলে কিংবা শুনলে ‘আল্লাহু আকবার’ বলা সুন্নত। [বুখারি : ৬২১৮]
স্বাভাবিকের মধ্যে কোনো ব্যতিক্রম দেখলে কিংবা আশ্চর্য ধরনের কোনো কথা শুনলে ‘সুবহানাল্লাহ’ বলা সুন্নত। [বুখারি : ৬২১৮]
ভালো যে কোনো কিছু বেশি বা ব্যতিক্রম দেখলে ‘মাশাআল্লাহ’ বলা সুন্নত। [মুসলিম : ৩৫০৮]
ভবিষ্যতে কোনো কিছু করার ইচ্ছা করলে ‘ইনশাআল্লাহ’ বলা সুন্নত। [আল কাহাফ : ২৩-২৪]
কোনো বাজে কথা শুনলে ‘নাউজুবিল্লাহ’ বলা সুন্নত। [বুখারি : ৬৩৬২]
কোনো বিপদের কথা শুনলে কিংবা কোনো খারাপ বা অশুভ সংবাদ শুনলে, কোনো কিছু হারিয়ে গেলে, কোনো কিছু চুরি হয়ে গেলে, কোনো কষ্ট পেলে ‘ইন্নালিল্লাহ’ বলা সুন্নত। [মুসলিম : ২১২৬]
কথা প্রসঙ্গে কোনো গুনাহের কথা বলে ফেললে, সঙ্গে সঙ্গে ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ বলা সুন্নত। [সুরা মুহাম্মদ : ১৯]
উপরে উঠার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলা এবং নিচে নামার সময় ‘সুবহানাল্লাহ’ বলা সুন্নত। [বুখারি : ২৯৯৩]
নিশ্চিতভাবে না জেনে কোনো বিষয়ে কিছু বললে, কথা শেষে ‘ওয়াল্লাহু আ’লাম’ বলা সুন্নত। [বুখারি : ৫৫৭০]
কেউ কিছু দিলে কিংবা কারো মাধ্যমে কোনো কাজ হলে তার বদলে ‘জাযাকাল্লাহু খাইরান’ বলা সুন্নত। [বুখারি : ৩৩৬]
কোনো বিজয় লাভ করলে কিংবা বিজয় লাভের আশায় শ্লোগান দিলে ‘আল্লাহু আকবার’ বলা সুন্নত। [বুখারি : ৬১০]

You may also like...

Skip to toolbar