বায়তুল মাক্কাদাস বিজয়ী প্রথম বীর হযরত ইউশা ইবনে নূনের কাহিনী –২য় অংশ

আল্লাহ বললেন ‘এদেশটি (বায়তুল মুক্বাদ্দাস সহ শামদেশ) চল্লিশ বছর পর্যন্ত তাদের জন্য নিষিদ্ধ করাহল। এ সময় তারা ভূপৃষ্ঠে উদ্ভ্রান্ত হয়ে ফিরবে। অতএব তুমি অবাধ্য কওমের জন্য দুঃখ করো না।‘ মায়েদাহ ৫/২৬।

এরপর বনী ইসরাঈল চল্লিশ বছর ধরে মরুভূমিতে উদ্ভ্রান্ত হয়ে ঘুরে বেড়াতে থাকে। এই সময়ে মিশর হতে বেরিয়ে আসা বংশধরটি সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। পরবর্তী বংশধরের লোকেরা পূর্ববর্তীদের পরিণতি হতে শিক্ষা নিয়ে জিহাদে অংশগ্রহণ করতে প্রস্তুত হয়।

চল্লিশ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর আল্লাহ তায়ালা হযরত মূসা (আ) ও হযরত হারূন(আ) কে নির্দেশ দিলেন যে বনী ইসরাঈলের বারটি গোত্রকে বারোজন সেনাপতির নেতৃত্বে বারোটি সেনাদলে বিভক্ত করে ফিলিস্তিনে পাঠাও।

তদনুসারে হযরত মূসা(আ) হযরত ইয়াকূবের(আ) ১২ জন পুত্রের নামে ১২ টি সেনাদল গঠন করে।

বনী ইসরাঈলের এই সম্মিলিত বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন হযরত ইউশা ইবনে নূন। এই বাহিনীর যাত্রার পূর্বেই হযরত মূসা(আ) ও হারূন (আ) একে একে ইন্তিকাল করেন।

অতঃপর গোটা বনী ইসরাঈল জাতির সার্বিক নেতৃত্ব দেন হযরত মূসা(আ) এর প্রথম খলীফা হযরত ইউশা ইবনে নূন এবং তাঁর নেতৃত্বে ফিলিস্তিন বিজিত হয়।

অতঃপর বাইতুল মাকদাসকে রাজধানী করে ফিলিস্তেনের অধিবাসীদেরকে হযরত ইউশা আল্লাহর কিতাব তাওরাত অনুসারে ২৭ বছর শাসন করেন। তিনি ১২৭ বছর বয়সে ইন্তিকাল করেন বলে বর্ণিত আছে।

শিক্ষাঃ জেহাদ থেকে পিছপা হওয়া অত্যন্ত মারাত্মক পরিণাম ডেকে আনে।

পক্ষান্তরে ইসলাম ও মুসলমানদের রক্ষার জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা করে জেহাদে অবতীর্ণ হলে প্রতিপক্ষ যত শক্তিশালীই হোক, আল্লাহ বিজয় লাভে সাহায্য করেন।

প্রথম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

You may also like...

1 Response

Skip to toolbar