Menu

শিক্ষনীয় গল্প

এক ছেলে প্রতিদিন এক কলেজের সামনে ভিক্ষার থালা হাতে দাঁড়িয়ে থাকতো,,,,বয়স ২৮-৩০ হবে।সে প্রতিদিন এসে একটা মেয়েকে বলতো,,,আপা দুইটা টাকা দেন,,মেয়েটা টাকা দিয়ে কলেজে ঢুকতো,,,,,,,এ ভাবে বেশ কয়েক মাস চলে গেল। একদিন ছেলেটি মেয়েটির জন্য অপেক্ষা করতে লাগলো,,,কিছুক্ষন পর মেয়েটি আসলো,,,ছেলেটি মেয়েটিকে দেখে বললো আপা আপনার সাথে কিছু কথা বলতাম,,,এই শুনে মেয়েটি বললো আচ্ছা বলেন,,,, […]

READ MORE

হাদিস

 আবূ হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আ‘নহু) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ‘লাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “মুসলিম বা মু‘মিন বান্দা যখন ওযূর উদ্দেশে তার মুখমণ্ডল ধৌত করে, তখন পানির সাথে অথবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে প্রত্যেক সেই গুনাহ বের হয়ে যায়, যা সে দুই চক্ষুর দৃষ্টির মাধ্যমে করে ফেলেছিল। অতঃপর যখন সে তার হাত দুটিকে ধৌত করে, তখন পানির […]

READ MORE

একটা গরীব ছেলের গল্প

একদিন একটা গরীব ছেলে রাস্তায় হাঁটছিলো । সে তার লেখাপড়ার খরচ জোগাড় করার জন্য ঘরে ঘরে গিয়ে বিভিন্ন জিনিস বিক্রি করতো । ছেলেটার গায়ে ছিলো একটা জীর্ন মলিন পোষাক। সে ভীষণ ক্ষুধার্ত ছিলো । … সে ভাবলো যে পরে যে বাসায় যাবে , সেখানে গিয়ে সে কিছু খাবার চাইবে । কিন্তু সে যখন একটা বাসায় […]

READ MORE

ধার্মিক এবং বিশ্বাসযোগ্য স্ত্রী পেতে হলে কি করবেন.?

০১.অশ্লীল ছবি,পর্ণগ্রাফী দেখা বাদ দিন। ০২.(একমাত্র ইবাদত ছাড়া) একাকী সময় কাটানো কমিয়ে পড়াশুনা করুন। ০৩.সালাত মিস দিবেন না। ০৪.প্রতিবার সালাত পড়ে হবু স্ত্রীর জন্য দোয়া করেন। যাতে আপনার হবু স্ত্রী এবং আপনি পাপ থেকে দূরে থাকতে পারেন। ০৫.একা একা অলস সময় কাটাবেন না। ছোট বড় যেকোন একটা কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। ০৬.বেশি বেশি আল্লাহ তা‘আলাকে […]

READ MORE

ভালো কাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য

ইহসান মানে হলো সৎ কাজ বা নেক কাজ করা। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘‌আর তোমরা সৎ কাজ করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ নেককার লোকদেরকে পছন্দ করেন।’ এ আয়াত থেকে বুঝা যায় যে, আল্লাহ তাআলার ইবাদত-বন্দেগিতে ভালো কাজ তথা ইহসানের গুরুত্ব অনেক বেশি। আল্লাহ তাআলার নিদের্শ ‘ইহসান’ তথা দুনিয়ার সব কাজে ইহসান বজায় রাখা জরুরি। যেহেতু ইহসান […]

READ MORE

সালামের গুরুত্ব ও ফজিলত

সালাম আরবী শব্দ। এর অর্থ শান্তি, প্রশান্তি, কল্যাণ, দোয়া, আরাম, আনন্দ ইত্যাদি। সালাম একটি সম্মানজনক অভ্যর্থনামূলক ইসলামী অভিবাদন। আল্লাহ তাআলা সর্বপ্রথম আদমকে (আ.) সালামের শিক্ষা দেন। হজরত আদমকে (আ.) সৃষ্টি করার পর আল্লাহ তাআলা তাকে ফেরেশতাদের সালাম দেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি সালাম দিলে ফেরেশতারাও এর উত্তর দেন। আসসালামু আলাইকুম মানে আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। […]

READ MORE

দুই বিখ্যাত সাহাবী আবু বকর (রা) ও উমার (রা) কথা বলছিলেন

দুই বিখ্যাত সাহাবী আবু বকর (রা) ও উমার (রা) কথা বলছিলেন। হঠাৎ আবু বকরের কথায় উমার মারাত্মক রেগে গেলেন। এমনকি ওই স্থান ছেড়ে চলে গেলেন। আবু বকর (রা) খুবই লজ্জিত ও উদ্বিগ্ন হয়ে উমারের পেছনে পেছনে ছুটতে লাগলেন আর বলতে লাগলেন, ‘ভাই উমার, আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন।’ উমার (রা) ফিরেও তাকাচ্ছেন না! এক পর্যায়ে […]

READ MORE

অন্যের সাথে মন্দ আচরণের প্রতিবিধান

রাবী‘আহ আল-আসলামী বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর খিদমত করতাম। ফলে তিনি আমাকে ও আবুবকর (রাঃ)-কে এক খন্ড জমি দান করলেন। অতঃপর দুনিয়ার চাকচিক্য আসল। ফলে একটি খেজুরের কাঁদিকে কেন্দ্র করে আমরা বিতর্কে জড়িয়ে পড়লাম। আবুবকর (রাঃ) বললেন, এটা আমার জমির সীমানার মধ্যে। আমি বললাম, না এটা আমার জমিতে। (এ বিষয়ে) আমার ও আবুবকর (রাঃ)-এর মধ্যে কথা […]

READ MORE

সীমালংঘন।। একটি মারাত্নক কবীরা গুনাহ ! ২য় অংশ

প্রথম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন যারা আল্লাহর অপার মহিমায় বিশ্বাসী তারা ইহকালে ও পরকালে উপকৃত হবে। আর যারা এর বিপরীত চিন্তায় মগ্ন তথা অবিশ্বাসী তারা ইহকালেও অভিশপ্ত এবং পরকালে আরও ঘৃণিত ও লাঞ্ছিত। এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য যে, অবিশ্বাসীদের সঞ্চিত পাপরাশি তাদেরকে পৃথিবীর বুকেই প্রত্যক্ষভাবে আক্রমণ করে সমূলে ধ্বংস করে দিয়েছিল। পবিত্র কুরআনে সীমালংঘনকারী পাপীদের […]

READ MORE

সীমালংঘন।। একটি মারাত্নক কবীরা গুনাহ ! ১ম অংশ

দ্বিতীয় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন সীমালংঘন একটি মারাত্মক বিষয়। পার্থিব জগতে মানুষের আয়ত্তাধীন ছোট-বড় যত প্রকারের বস্ত্ত রয়েছে, সমস্তই মানুষের মধ্যে বিভাজন হয়ে আছে। যেমন ভূ-পৃষ্ঠের বিশাল ভূ-খন্ড বিভিন্ন দেশের জনগোষ্ঠী দ্বারা নির্দিষ্ট সীমারেখায় বিভক্ত হয়ে আছে। আবার বিশাল জলভাগের উপর কর্তৃত্ব রয়েছে তার নিকটতম ভূ-খন্ডের অধিবাসীদের। অনুরূপভাবে মহাশূন্যেও অধিকার প্রতিষ্ঠিত আছে সকল দেশের […]

READ MORE

মেহমানের মর্যাদা পেলো যুদ্ধবন্দীরা

বদর যুদ্ধে বিজয়ী মুসলমানদের হাতে অনেক কুরাইশ বন্দী হলো। এরা সেই তারা, যারা মহানবী(সাঃ) এবং তাঁর অনুসারীদের উপর তের বছর ধরে অমানুষিক অত্যাচার করেছে এবং তাঁদেরকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছে। সেই যুগের নীতি অনুসারে হয় তাদের সকলকে হত্যা অথবা তাদেরকে দাস বানিয়ে নেয়া যেত। কিন্তু মহানবী(সাঃ) তাদের সাথে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী ব্যবহার করলেন। তিনি তাদের সাথে […]

READ MORE

রোমান সম্রাট হিরাক্লিয়াস এর দরবারে আবূ সুফিয়ান

সপ্তম হিজরি, ৬২৯ খ্রিস্টাব্দ। মক্কার কাফেরদের কুরাইশ দের সাথে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর হুদায়বিয়ার সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যে ইসলামের নাম শুনলে জ্বলে উঠত কুরাইশদের গা, আজ সেই কুরাইশগণ স্পষ্টত: স্বীকৃতি দিল ইসলামকে একটি শক্তিশালী ধর্ম হিসাবে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নদীর মোহনায় এসে তাঁর সাধনার স্রোতধারায় শুনতে পেলেন মহাসাগরের কল্লোল। তাই তিনি মনস্থ করলেন বিশ্বের শক্তিশালী রাজা-বাদশাহদের নিকট ইসলামের […]

READ MORE

মুসলিম জীবনের আদব-কায়দা পর্ব -৩

আল্লাহ তা‘আলার সাথে মুসলিম বান্দার আদব মুসলিম ব্যক্তি তার প্রতি আল্লাহ তা‘আলার অগণিত নি‘য়ামতের প্রতি লক্ষ্য করে; আরও লক্ষ্য করে ঐসব নি‘য়ামতের প্রতি, যেসব নি‘য়ামত তার মায়ের গর্ভে থাকাকালীন সময় থেকে শুরু করে তার রবের সাথে সাক্ষাৎ (মৃত্যু) করা পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে তাকে পরিবেষ্টন করে রেখেছে। ফলে সে তার নিজ মুখে তাঁর যথাযথ প্রশংসা […]

READ MORE

মুসলিম জীবনের আদব-কায়দা পর্ব -২

নিয়তের আদবসমূহ মুসলিম ব্যক্তি নিয়তের মর্যাদা ও প্রভাবের প্রতি বিশ্বাস করে এবং আরও বিশ্বাস করে তার ধর্মীয় ও জাগতিক জীবনের সকল কর্মকাণ্ডের জন্য নিয়তের গুরুত্বকে। কারণ, নিয়তের দ্বারাই সকল কাজের অস্তিত্ব লাভ করে এবং নিয়ত অনুযায়ীই তার রূপ-প্রকৃতি তৈরি হয়; ফলে সে অনুসারে তা শক্তিশালী হয়, দুর্বল হয়, শুদ্ধ হয় এবং নষ্ট হয়; আর মুসলিম […]

READ MORE

মুসলিম জীবনের আদব-কায়দা পর্ব -১

১. আদব-কায়দা’র পরিচয়: আদব শব্দটি আরবি  ” أدب “শব্দ থেকে বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত ও প্রচলিত শব্দ; যার অর্থ হলো: বিনয়, নম্রতা, ভদ্রতা, সভ্যতা, কৃষ্টি, সুশিক্ষা, নৈতিকতা, মানবিকতা, শোভনতা, শিষ্টাচার।[1] আবার  ” أدب “শব্দের অর্থ: নিয়মনীতি, পদ্ধতি ইত্যাদি।  আর আদব-কায়দা মানে— ভদ্র সমাজের রীতি-পদ্ধতি; ভদ্র ব্যবহার। অন্যভাবে বলা যায়: আদব-কায়দা মানে কাঙ্খিত শিক্ষা, সভ্যতা ও […]

READ MORE
Skip to toolbar