Menu

হযরত আছিয়া (আঃ)- নবম অংশ

 প্রথম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন  প্রহরীরা আগুনের এক বিশাল কুণ্ড তৈয়ার করল। এক আল্লাহকে প্রভু মেনে ফেরাউনকে কষ্ট দেয়ার পরিণতিতে আগুণে পুড়তে হচ্ছে এক নারীকে। শুধু তাই নয়। কোলের শিশুটির পর্যন্ত রেহাই নেই। মায়ের চোখের সামনে জ্বলে ভস্মীভূত হচ্ছে নিষ্পাপ বাচ্ছাটা। সে যেন মায়ের দিকে ফিরে অব্যক্ত ভাষায় বলছিল—আম্মিজান! আপনি সঠিক পথে আছেন। বিচলিত […]

READ MORE

হযরত আছিয়া (আঃ)- অষ্টম অংশ

নবম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন আছিয়া দূর থেকে দেখতে পেলেন ভরা মজলিস থেকে এক লোক উঠে দাঁড়িয়ে এর প্রতিবাদ করছেন, ভাল করে তাকিয়ে দেখলেন তিনি হিজকীল। ফেরাউনের নিষ্ঠুর চরিত্রের কথা চিন্তা করে মনে মনে তিনি বললেন—লোকটি এক্লহানে এভাবে না বললেই হয়তো ভাল করতো। হিজকীল তাঁর ভরাট গলায় বলতে লাগলেন— وَقَالَ رَجُلٌ مُّؤْمِنٌ مِّنْ آلِ […]

READ MORE

হযরত আছিয়া (আঃ)- সপ্তম অংশ

অষ্টম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন এসব কথাবার্তা নিয়ে গভীর চিন্তা—ভাবনা করে আছিয়া মূসা (আঃ) এর অকপট উপস্থাপন ও সাবলীল বর্ণনাভঙ্গিতে বেশ চমৎকৃত হলেন। কত ছোট্ট অথচ পূর্ণাঙ্গভাবে তিনি মহান প্রভুর গুণাবলীর পরিচয় তুলে ধরে বলেছিলেন— قَالَ رَبُّنَا الَّذِي أَعْطَى كُلَّ شَيْءٍ خَلْقَهُ ثُمَّ هَدَى আমাদের পালনকর্তা তিনি, যিনি প্রত্যেক বস্তুকে তার যোগ্য আকৃতি দান […]

READ MORE

হযরত আছিয়া (আঃ)- ষষ্ঠ অংশ

সপ্তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন এ জবাব শুনে ফেরাউনের ক্রোধ কয়েকগুণ বেড়ে গেল। তাঁর আওয়াজে ক্ষিপ্রতা এসে গেল। দরবারের কথাবার্তা শুনে আছিয়া নিজ কামরায় ফিরে এসে বলতে লাগলেন—মূসার উপর এবং যে দ্বীনের দাওয়াত তারা নিয়ে এসেছে আমি তাঁর উপর পূর্ণ ঈমান আনলাম। রাব্বুল আলামীনের সমীপে নিজেকে সর্বোতভাবে সমর্পণ করলাম। এ দিকে ফেরাউনের বিকট আওয়াজ […]

READ MORE

হযরত আছিয়া (আঃ)- পঞ্চম অংশ

ষষ্ঠ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন আমার মুখের জড়তা দূর করে দিন যেন মাধুর্যপূর্ণ ভাষায় হৃদয়গ্রাহী করে আমি তাদের সত্যের পথে ডাকতে পারি। এবং আমার দাওয়াতের মুগ্ধ হয়ে এর প্রতি তারা উৎসাহী হয়। আর আমার পরিবারের একজনকে আমার সহযোগি বানিয়ে দিন, যে আমার মত একই চিন্তার অনুগামী হয়ে আমার সহযোগিতা করবে। আমার ভাই হারুনের পৃষ্ঠপোষকতায় […]

READ MORE

হযরত আছিয়া (আঃ)- তৃতীয় অংশ

চতুর্থ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন প্রাসাদের লোকেরা এ শিশুর জন্য একজন ধাত্রী খুঁজতে লাগল। হাজার হলেও এতো এখন রাজপুত্র। আর ফেরাউন তো শুধু বাদশাই নয়। প্রজাসাধারণের স্বকল্পিত প্রভুও সে। কাজেই চতুর্দিক থেকে ধাত্রীদের আগমন্ব প্রাসাদ ভরে উঠলো। ফেরাউন ও আছিয়া বাচ্ছার জন্য একজন যুৎসই ধাত্রীর জন্য প্রতীক্ষমান। কিন্তু রজোপ্রাসাদে আগত কোন মহিলার স্তনই মুখে […]

READ MORE

হযরত আছিয়া (আঃ)- দ্বিতীয় অংশ

তৃতীয় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন লোমহর্ষক এ ঘটনার শুরুটা খুবই অম্লমধুর । ফেরাউনের রাজপ্রাসাদের অনতিদূরে ছোট্ট এক ঝুপড়িতে ইউহানিব নাম্নী এক মহিলা বাস করতেন। তাঁর গর্ভধারণের সময় ঘনিয়ে এলে নিজগৃহের এক কোণায় তিনি আবদ্ধ হয়ে রইলেন। প্রসব বেদনা শুরু হলে তিনি মেয়েকে বললেন যাও, জলদি একজন ধাত্রী ডেকে নিয়ে আস। মেয়ে ধাত্রী ডেকে আনল। […]

READ MORE

হযরত আছিয়া (আঃ)- প্রথম অংশ

দ্বিতীয় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন— وَضَرَبَ اللَّهُ مَثَلًا لِّلَّذِينَ آمَنُوا اِمْرَأَةَ فِرْعَوْنَ إِذْ قَالَتْ رَبِّ ابْنِ لِي عِندَكَ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ وَنَجِّنِي مِن فِرْعَوْنَ وَعَمَلِهِ وَنَجِّنِي مِنَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ মুমিনদের জন্যে ফেরাউন-পত্নীর দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন। সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা! আপনার সন্নিকটে জান্নাতে আমার জন্যে একটি গৃহ নির্মাণ করুন, আমাকে […]

READ MORE

কাবাশরীফ ধ্বংশের পরিকল্পনাকারী হস্তীবাহিনীর ঘটনা

‘আবিসিনিয়া’র বাদশাহর পক্ষ থেকে ‘ইয়ামানে’ ‘আবরাহা’ নামক একজন শাসনকর্তা ছিল। সে দেখল, গোঠা আরবের লোকেরা মক্কার কাবা শরীফে হজ্জ করতে যায়। বিষয়টি তার মোটেও পছন্দ হলো না। তার ইচ্ছা হলো, মক্কার পরিবর্তে সবাই আমাদের দেশে আসুক। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্যে সে ভাবল, কাবাগৃহের অনুকরণে আমাদের এখানেই একটি উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন গীর্জা নির্মাণ করবে। তাতে বিনোদন ও […]

READ MORE

আবু লাহাব ও তার স্ত্রীর ধ্বংসের ঘটনা

বুখারী ও মুসলিম শরীফের বর্ণনানুযায়ী সূরা শু‘আরা-এর একটি আয়াত যার অর্থ- তোমার নিকট আত্মীয়বর্গকে [পরকাল সম্পর্কে] সতর্ক কর। আয়াতটি অবতীর্ণ হওয়ার পর নবীজি মক্কার ‘সাফা’ পাহাড়ে আরোহণ করে তাঁর নিকট আত্মীয়বর্গকে একত্র করেন এবং সকলকে আখিরাতের আজাব সম্পর্কে সতর্ক করেন। এ কথা শুনে আবু লাহাব ঔদ্ধত্যের সাথে হাত নেড়ে বলল- ‘তোমার ধ্বংস হোক। এ কথার […]

READ MORE

সূরা ফালাক ও নাসের এগারোটি আয়াতের তত্ত্ব

একবার নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কঠিন অসুখে পড়লেন। একরাতে স্বপ্নে দেখলেন, দুজন ফেরেশতা এসেছেন। একজন বসেছেন তাঁর শিয়রে, আর একজন পায়ের কাছে। দুজনের মধ্যে কথোপকথন শুরু হলো এভাবে- এঁর কী হয়েছে? ইনি অসুস্থ। কি অসুখ? যাদুগ্রস্ততা। কে যাদু করেছে? ইহুদি ‘লাবীদ ইবনে আসাম’। কীভাবে? চামড়ার ফিতায় যাদুমন্ত্র করে পাথর চাপা দিয়ে রেখে দেওয়া হয়েছে […]

READ MORE

জিনজাতী মহানবী সা. এর প্রতি ঈমান আনার ঘটনা

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নবুয়ত লাভের পূর্বে জিন জাতি আকাশ থেকে সংবাদ সংগ্রহ করত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নবুয়ত লাভের পর থেকে জিন জাতিকে আকাশের সংবাদ সংগ্রহ থেকে নিবৃত রাখা হয়। সে মতে তাদের কেউ সংবাদ শুনার মানসে উপরে গেলে তাকে উল্কাপিন্ড নিক্ষেপ করে বিতাড়িত করা হত। জিনরা এই নতুন পরিস্থিতির […]

READ MORE

ফিরআউন স্ত্রী আসিয়ার কাহিনী

হযরত মূসা আলাইহিস্সালাম যখন যাদুকরদের মোকাবেলায় সফল হন এবং যাদুকররা মুসলমান হয়ে যায়, তখন বিবি আসিয়া তাঁর ঈমান প্রকাশ করেন । ফিরআউণ ক্রুদ্ধ হয়ে তাঁকে ভীষণ শাস্তি দিতে চাইল। কতক বর্ণনায় আছে, ফিরআউণ তাঁর চার হাত পায়ে পেরেক মেরে বুকের উপর ভারী পাথর রেখে দিল। যাতে তিনি নড়া চড়া পর্যন্ত না করতে পারেন। এ অবস্থায় […]

READ MORE

হযরত ইবরাহীম আলাইহিস্সালাম ও সারা রা. এর ঘটনা

হযরত ইবরাহীম আ. যখন নমরূদের অগ্নীকুন্ড থেকে সহী-সালামতে বের হয়ে আসলেন তখনও তার সম্প্রদায়ের লোকেরা ঈমান আনতে রাজী হলো না বরং অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলো তখন তিনি বললেন ঃ إني ذاهب إلى ربي سيهدين অর্থ ঃ আমি পৌত্তলিকতার স্থান ছেড়ে এমন জায়গায় চলে যাব যেখানে স্বাধীনভাবে আমার রবের ইবাদত করতে পারবো। সত্তর তিনি আমাকে এমন স্থানের […]

READ MORE

হযরত ঈসা আঃ কতৃক এন্তাকিয়া শহরে দাওয়াতের জন্য দুই ব্যক্তি প্রেরণ ও হাবীবে নাজ্জার এর ঘটনা

ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বিহ (রঃ) বর্ণনা করেন, হযরত ঈসা আলাইহিস্সালাম দুই ব্যক্তিকে এন্তাকিয়া শহরে সত্যের দাওয়াত দিতে প্রেরণ করেণ। এই জনপদের রাজার নাম ছিল আনতাফাস। সে ছিল মূর্তি পূজক। ঐ দুই ব্যক্তি এন্তাকিয়া পৌঁছলেও রাজার নিকট যেতে পারেনি। অনেক দিন তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে। একদিন রাজা শহরে বের হলো, তারা উভয় উচ্ছঃস্বরে আল্লাহু আকবার বলেন। উচ্ছ […]

READ MORE

হযরত দাউদ আলাইহিস্সালামকে বর্ম নির্মাণ কৌশল শিক্ষা দেওয়ার রহস্য

তাফসীরে ইবনে কাসীরে বর্ণিত আছে- হযরত দাউদ (আঃ) তাঁর রাজত্ব কালে ছদ্মবেশে বাজারে গমন করতের এবং বিভিন্ন দিক থেকে আগত লোকদের জিজ্ঞাস করতেন যে, দাউদ কেমন লোক? তাঁর রাজত্বে ইনসাফ ও সুবিচার প্রতিষ্ঠিত ছিল। সব মানুষ সুখে শান্তিতে দিনাতিপাত করত। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কারও কোন অভিযোগ ছিল না। তাই যাকেই প্রশ্ন করা হত, সেই হযরত দাউদ […]

READ MORE

হযরত সোলায়মান (আঃ) এর মৃত্যুর বিস্ময়কর ঘটনা

হযরত সোলায়মান (আঃ) অদ্বিতীয় ও অনুপম সম্রাজ্যের অধিকারী ছিলেন। কেবল সমগ্র বিশ্বের নয়, বরং জিন জাতি বিহঙ্গকুল ও বায়ুর উপরও তাঁর আদেশ কার্যকর ছিল। কিন্তু এতসব উপায় উপকরণ থাকা সত্বেও তিনি মৃত্যুর কবল থেকে রেহাই পেলেন না। নির্দিষ্ট সময়ে তার মৃত্যু আগমন করেছে। বায়তুল মোকাদ্দাসের নির্মান কাজ হযরত দাউদ (আঃ) শুরু করেছিলেন এবং হযরত সোলায়মান […]

READ MORE

সাবা সম্প্রদায় ও তাদের প্রতি আল্লাহর নেয়ামত রাজি

ইয়ামানের সম্রাট ও সে দেশের অধিবাসীদের উপাধি হচ্ছে ‘সাবা’। ‘তাবাবেয়া’ সম্প্রদায়ও সাবা সম্প্রদায়ের অন্তভুক্ত ছিল। তারা ছিল সে দেশের ধর্মীয় সম্প্রদায়। সূরা নামলে সোলায়মান (আঃ) এর সাথে রাণী বিলকিসের ঘটনা বর্ণীত হয়েছে। তিনিও এই সম্প্রদায়েরই একজন ছিলেন। আল্লাহ তা’য়ালা তাদের সামনে জীবনোপকরণের দ্বার উম্মুক্ত করে দিয়ে ছিলেন। এবং পয়গাম্বরগণের মাধ্যমে এসব নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করার […]

READ MORE

মাদইয়ান অভিমুখে হিজরত

হযরত মূসা (আঃ) একবার কোন কারণে একজন কিবতীকে হত্যা করেন। গ্রেপ্তার ও নিহত কিবতীর হত্যার বিনিময়ে হত্যা করার ফেরআউনী পরিকল্পনার কথা অবহিত হয়ে মূসা (আঃ) মিসর ছেড়ে অন্যত্র গমনের সিদ্ধান্ত্ম নেন। তাই অতি সন্ত্মর্পণে তিনি শহর থেকে বের হয়ে পড়েন। ফেরআউনের প্রহরীরা ঘুর্ণাÿরেও জানতে পারল না, তিনি কোন্ পথে কিভাবে শহর ত্যাগ করেছেন। শহর ছেড়ে […]

READ MORE

হযরত মূসা (আঃ)-এর মাদইয়ানে উপস্থিতি ও শোআইব (আঃ) এর গৃহে আশ্রয় লাভ

প্রচন্ড গরম, উত্তপ্ত বালুকাময় পথ সহ্য করে হযরত মূসা (আঃ) মিশর থেকে মাদইয়ানে পৌঁছেছেন। এখন তিনি ফিরআউনী শত্রম্ন কর্তৃক ধৃত হবার দূর্ভাবনা মুক্ত, কিন্তু তিনি তখনও অবহিত হতে পারেন নাই যে, তিনি মাদইয়ানে উপনীত হয়েছেন। দীর্ঘ পথ চলার শ্রান্ত্মিজনিত অবসান্নতা, তদুপরি ÿুধা তৃষ্ণা, সব মিলিয়ে তিনি অত্যন্ত্ম দুর্বল হয়ে পড়েন। তাই দৈহিক অবসাদ অবসন্নতা দূরীকরণার্থে […]

READ MORE

কারূনের সম্পদ প্রথিত হওয়া

বনী ইসরাঈল সমূদ্র পার হবার পর নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব হযরত মূসা (আঃ) ও হারূন (আঃ) উপর ন্যস্ত্ম ছিল। এবং হযরত মূসা (আঃ) স্বীয় ভ্রাতা হযরত হারূন (আঃ) কে বাইতুল কুরবান তথা কোরবানি ও উৎসর্গীত দ্রব্যের তত্ত্বাবধায়ক নির্ধারণ করলেন, অর্থাৎ আলস্নাহর রাহে উৎসর্গের জন্য যে সব সামগ্রী আসবে, তা হযরত হারূন (আঃ) এর মারফত কুরবানগাহে রাখা […]

READ MORE

হযরত সালেহ (আঃ) এর ঘটনা

সামুদ জাতির নিকট হযরত সালেহ (আঃ) রাসূল হিসেবে প্রেরিত হয়েছিলেন। সামুদ জাতি অত্যন্ত্ম সমৃদ্ধশালী ছিল, শস্য-শ্যামলিমায় পরিপূর্ণ ছিল তাদের এলাকা। বাগ-বাগিচা, ঝর্ণায় এক নয়নাভিরাম দৃশ্যের অবতারণা করা হয়েছিল তাদের চতুর্দিকে। কিন্ত্মু এ হতভাগা জাতি আলস্নাহ পাকের অবাধ্য অকৃতজ্ঞ ছিল। মূর্তি পূজা ও ডাকাতি- রাহজানিতে লিপ্ত ছিল। তাই হযরত সালেহ (আঃ) তাদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন। হযরত (আঃ)- […]

READ MORE
Skip to toolbar